
রাজনৈতিক অঙ্গনে আরেক নাম জনাব মোঃ খুরশিদ আলম মিঞ্চা
ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি মোঃ সবুজ হোসেন
হাসবো না কাদবো এমন কথার আলোকে এবার দেখা মিলেছে ৭নং মহারাজপুর ইউনিয়নের প্রিয় মানুষ জনপ্রিয় নেতা জনগণের ভোটে একপর এক নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান জনাব মোঃ খুরশিদ আলম মিঞার রাজনৈতিক ইতিহাস ফুটে উঠে তেমনি ভাবে সোসাল মিডিয়া এক ফেজবুক পেজে বিষয়টি দেখা মিলেছে তাই তিনি বলেন।
হাসবো না কাঁদবো বুঝতে পারছি না আমাকে রাজনীতির ছবক নিতে হবে মহারাজপুর ইউনিয়নের দুই পাতি শেয়ালের কাছে,তাহলে আমি নাকি অনেক আগেই বি এন পি করতে পারতাম তাদের কাছে গেলে।
আমি নাকি মরিচিকার পিঁছে দৌড়াচ্ছি আর তার কাটা দের সাথে নিয়ে চলছি,এখন নাকি ঝিনাইদহ বি এন পি রাজনীতি তারাই নিয়ন্ত্রণ করে।
যাই হোক ২০০৩ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত ৭নং মহারাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৩নং ওয়ার্ডের ইউ পি সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছি,২০১৬ থেকে অদ্যবদি পর্যন্ত চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালন করছি।
জানতে চাই কোন শালিস মিটিং করে কারো নিকট থেকে একটা টাকা পয়সাও গ্রহন করেছি কিনা?
ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে সরকারের দেওয়া সাধারণ জনগণের জন্য যে বরাদ্ধ আসে সে গুলো বিতরন করেছি,যেমন অগভীর নলকূপ গভীর কলকুপ বয়স্ক ভাতা বিধবা ভাতা প্রতিবন্ধী ভাতা মাতৃত্ব কালিন ভাতা ভিজিডি এবং ইউনিয়নে দুইশোর অধিক আধাপাকা ঘর করেছি ভিজিএফ সহ যত প্রকার সুযোগ সুবিধা আছে তার বিনিময়ে কোন একজন মানুষের নিকট থেকে কোন অর্থ বা বিনিময়ে কিছু নিয়েছি এমন কোন প্রমান যদি কেউ দিতে পারে কথা দিলাম চেয়ারম্যান এর থেকে রিজাইন করবো।
এবং ১৯৯০ সাল থেকে সমাজ নীতি রাজনীতির সাথে জড়িত একজন খুদ্র কর্মি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছি,যদি কোন দলিও নেতা কর্মি বলতে পারেন আমার জীবন দশায় কারো কাছে হাত পেতে কোন দলিও প্রগাম শেষ করে একশত টাকা গ্রহন করেছি কথা দিলাম এই জীবনে আর কোন দিনও রাজনীতি করবো না।
জীবনে যা কিছু করেছি বাবার জমি বিক্রি করেই করেছি ওপেন চ্যালেঞ্জ করে বললাম কোন বাবার বেটা থাকলে প্রমান করে দিস,আর দীর্ঘ ৩৫ বছর রাজনীতি করা মানুষ দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছর জন প্রতিনিধি হিসাবে দায়িত্ব পালন করছি জীবনে দুর্নীতি করার এর থেকে আর কি সুযোগ থাকে বলেন কোন অপরাধ না করেও সম্পুর্ন মিথ্যা মামলা খেয়েছি ৪৭ টা।
যার মধ্যে হত্যা মামলা ৩ টা গুলি খেয়েছি প্রেপ্তার করে অমানশিক টর্চার করেছে একাধিক বার জেল খেটেছি বহু কর্মির সহযোগিতা করেছি জামিন করেছি, ১/১১ পরবর্তি ইউনিয়নের সকল বি এন পি জামাত শিবির কর্মির এক মাত্র সামনের উপর ছেড়ে একটা ছাতার ছায়া দিয়ে রেখে ছিলাম একমাত্র আমিই।
এখন অনেক থানা নেতা জেলা নেতা তখন কারো ফোন করলে রিসিব করাতো দুরের কথা আর বললাম না সে কথা শুনতে খারাপ শোনাবে,এমনি ভাবে বিশেষ করে দুইটি ইউনিয়নের নেতা কর্মীদের দেখভাল করে রেখেছি একমুট ভাত বাড়িতে কখনোই ক্ষেতে পারিনি।
২০১৩ সালে আগুনে পুড়ে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের বিছানায় মৃত্যুর যন্ত্রনাই ছড়ফট করেছে আমার মা বারবার তার তিনটি ছেলের মুখখানা দেখতে চেয়েছিলেন কিন্ত এতোই অভাগা সন্তান যে সেদিন মায়ের জীবিত মুখ খানা দেখতে পারি নাই এমন কি তিনটি ভাই মাকে ঠিক মত মাটি দিতে পারি নাই।
বিনা অপরাধে ২০১৩ সালের মামলায় ফেরয়ারি থাকতে হয়েছে ইউনিয়নের সকল নেতা কর্মীদের জামিন না হওয়া পর্যন্ত নিজে জামিন হয়নি
অন্য সবার সমস্যা আর আমাদের দুই ভাইয়ের সমস্যা ছিল ভিন্ন আমরা দুই ভাই তখন জেলা আওয়ামীলীগের এক মাত্র টার্গেট ছিলাম ।
যে কোন মুল্যেই তারা চেয়ে ছিল আমাদের দুই ভাইকে হত্যা করতে হয় পুলিশ না হয় সন্ত্রাসী বাহিনীর মাধ্যমে কারন অনেক কষ্ট করে ইউনিয়নের সংগঠন কে সুসংগঠিত করে রেখে ছিলাম তখন
আমি ইউনিয়ন বি এন পির সাধারণ সম্পাদক আর আমার ভাই ইউনিয়ন যুব দলের সভাপতি আর আমাদের ভাতিজা ইউনিয়ন ছাত্র দলের সেক্রেটারি।
রাখে আল্লাহ মারে কে ছোট ভাই টিকে পরিস্থিতি মুল্যায়ন করে দীর্ঘ ৯ বছর দেশের বাইরে রেখেছি আর জীবন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জালড়ে আর এক ছোট ভাইকে নিয়ে অনেক চড়াই উৎরাই পেরিয়ে এলাকা ছাড়া থেকে আর কোন ভাবেই যখন এলাকার লোকজন কে বাচাঁতে পারলাম না প্রতি নিয়ত পুলিশ ইউনিয়নের থেকে তিন চার জন কে ধরে নিয়ে যাই আর জনি এবং তার সাথে থাকা দালাল গুলো ৫০/৬০/৭০ হাজার টাকার বিনিময়ে ছাড়ায়ে দেয় আবার ধরাই।
আজকে ২০২২ সালের পরে বি এন পি করা যে পাতি শিয়াল গুলো বড় বড় বি এন পির বুলি আউড়াচ্ছে
সেই সময় এরা সবাই তাদের সাথে থেকেই আমাদের এই ভাবে ফল্লা করেছে।
আজকের কাঠ মোস্ত যিনি যুবদলের মা বাবা সেজেছেন উনার ঘরেই ছিল সেদিন আওয়ামীলীগ আর যুবলীগের জনি দালালের অফিস
আর তাদের গুরু ছিলেন বিষয়খালীর সাজাদুল সর্দার করিম সর্দার ডাক্তার এছেম আলী সর্দার আমার ক্ষতি করার জন্য হেন কোন চেষ্টা নেই যে তারা করেনি
একটু খোঁজ খবর নিয়ে দেখেনতো তখন এই সব বড় বড় বালখিল্লাদের নামে কেন কোন মামলা হয় নি আর যদি না হয় তাহলে কেন হয়নি হবে কেমনে এরাইতো তখন মামলা গুলো করিয়েছে।
এই ইউনিয়নের যে সব চেয়ে বড় পুলিশের দালাল সে হচ্ছে বর্তমান ইউনিয়ন বি এন পির সেক্রেটারি আলতাফ এর আপন মামাতো ভাই উনিতো বিরাট ত্যাগি নেতা ওরান নামে একটি মামলা ও আছে কিনা না থাকলে কেন নাই এত বড় নেতা উনি।
এই সব নেতাদের মানে দালাল দের হাত ধরে আমার দল করতে হবে যাদের সাথে এখনো রাতদিন জনি বসে থাকছে ওনারা জনিকে সেন্টার দিয়ে রাখছে, আর মনে করছে চেয়ারম্যান যদি দলে আসে তাহলে আমার আর কোন খাওয়া থাকবে না এবং আমার ভাই জনি কে আর আমি রক্ষা করতে পারবো না।
এসব ধান্দা করে কোন লাভ হবে না ইউনিয়নের জনগণ থেকে আমি বিচ্ছিন্ন কোন মানুষ কিনা সময় হলে সেটা টের পাবে
তোমার ভাই যা করেছে আমার কিছুই বলা লাগবে না যাদের ক্ষতি করেছে তারাই সময় মত সাইজ করে দিবে তোমার বাবাও ঠেকাতে পারবে না
যাই হোক এর পর সবার সাথেই আলোচনা করে একটি পাতানো নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলাম ইউনিয়ন বি এন পির সভাপতির নেতৃত্বে শান্ত করে দিলাম মহারাজপুর এবং নলডাঙ্গা ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের।
পরিস্থি একটু স্থির হলো মানুষ গুলো স্বাভাবিক একটা পরিবেশ ফিরে পেল ,টুকটাক দলিও প্রগাম শুরু হলো কিছু কিছু লোক ঝিনাইদহ প্রগামে এটেন করানো শুরু করালাম সভাপতি/ নাসির কে দিয়ে খরচ বারো আনা আমিই দিয়েছি
যারাই প্রগামে তখন যেতো সবাই আমার উপর ডিফেন্ট করেই যেত আমি তাদের অভয় দিয়ে ছিলাম তোমরা যাও কোন মামলা হলে আমি দেখবো
এই ভাবে আমিই নেপত্তে থেকে আবার টুকটাক করে দলিও কার্যকলাপ শুরু করলাম আমি যদি অভয় না দিতাম সভাপতি আর সেক্রেটারির ক্ষমতাও ছিলনা ইউনিয়নের একজন মানুষের ঝিনাইদহ প্রগামে নিয়ে যাওয়ার।
যা বলছি ওপেন চ্যালেঞ্জ করে বললাম খোঁজ খবর নিয়ে দেখবেন আর এখন পাঁচ তারিখের পর জনির সাথে থাকা সব লোক গুলোই হচ্ছে বি এন পির লোক
এখন এই ইউনিয়নে জনির একজন কোন লোক ও নাই সব আলতাফ এর বি এন পি আবার যখন জনির ক্ষমতা আসবে সব তখন জনির লোক
তখন আবার আলতাফ এর একজন লোক ও খুঁজে পাওয়া যাবে না এই হচ্ছে এদের দল করা,আর থানা জেলার নেতারা কেউ কাউকে চিনেনা ব্যাক্তিগত ভাবে
যাকে মিছিলে নিয়ে যাচ্ছে তারাই নাকি ত্যাগি বি এন পি আর সেই সব ত্যাগি বি এন পির নেতা কর্মীদের নাকি আমার দল করার বিষয়ে আপত্তি রয়েছে
কোন ত্যাগি বি এন পি আমার সামনে একদিন বসাতে পারেন এরা সবাই জনি দালাল আর সাবেক চেয়ারম্যান বক্কারের দালাল আপনাদের ভুগল পড়াচ্ছে।
এখন অনেক মদ্দরাম দেখছি সেদিন কোথায় ছিল এই বালখিল্লার দল মফু পার্থ জনিদের অফিস তৈরি হয়েছিল কার ঘরে আমার ঘরে তাইনা,আওয়ামীলীগ এর দালালি করে বাইশ সালের বি এন পি করে গল্প দিয়ে বেড়াও তাইনা।
৯৬ সালে আওয়ামীলীগ এর সময় যারা শ্রমজীবি মুক্তি আন্দোলন করে আমার ভাইয়ের ৬৫ টা আম জাম মেহগুনি গাছ কেটে নিয়েছে যারা দেশ ছাড়া করে ছিল এখন তারাই বি এন পির নেতা
তৃণমূলের কোন মানুষের সাথে যাদের কোন চেনা জানা থাকে না তাদের নেতৃত্বে সংগঠন পরিচালনা হলে এমনি হয় আসল নকল চেনা যাইনা।
আমি বা আমার পরিবারের চেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এই জেলার বি এন পির মধ্যে খুবই কম আছে চ্যালেঞ্জ করে বললাম
শুধু আমার নিজের নামেই আওয়ামীলীগ আমলে হত্যা মামলা বাদে নাশকতার মামলা করা হয়েছে ৩৫ টা
যা এই জেলার অনেক থানা জেলার নেতার নামেও নেই।